<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
<channel>
<title>Department of Bangla</title>
<link>http://ir.library.sust.edu:8080/xmlui/handle/123456789/87</link>
<description/>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 11:52:04 GMT</pubDate>
<dc:date>2026-05-07T11:52:04Z</dc:date>
<item>
<title>হাছন রাজা : জীবন ও সাধনা</title>
<link>http://ir.library.sust.edu:8080/xmlui/handle/sust/226</link>
<description>হাছন রাজা : জীবন ও সাধনা
হক, মোঃ ফয়জুল
এই গবেষণাপত্রটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী নিয়ে মরমি কবি হাছন রাজার জীবন ও সাহিত্য সাধনার একটি গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করে। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় দর্শন-মহাসভায় এবং ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাছন রাজাকে 'গ্রাম্য কবি' আখ্যা দিয়ে তাঁর গানের দর্শন তত্ত্বকে তুলে ধরেন। হাছন রাজার জীবন ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে, যেখানে লেখক প্রভাবশালী চিন্তকদের মতামত এবং বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে হাছন রাজাকে আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক সমালোচনায় নিয়ে আসার চেষ্টা করেছেন। &#13;
&#13;
গবেষণার দশটি অধ্যায়ের মধ্যে হাছন রাজার জীবন, সুফিবাদ, বৈষ্ণব পদাবলী, শাক্ত অনুরাগ এবং বাউল দর্শন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া, তাঁর গানের মাধ্যমে লোকজীবন, সংস্কৃতি, এবং ঐতিহ্য চেতনার প্রতিফলন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই গবেষণাপত্রের মাধ্যমে হাছন রাজার জীবন ও সাধনার অনালোকিত দিকগুলোকে আলোচনায় আনার চেষ্টা করা হয়েছে, যা তাঁর কাজের সমগ্রতা ও গভীরতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে, হাছন রাজার গান ও কবিতার শুদ্ধতা এবং শিল্পের মূল্যায়ন নিয়ে আলোচনা করে উপসংহার করা হয়েছে, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল গূঢ়ার্থকে নতুনভাবে আবিষ্কারের চেষ্টা করে।
হাছন রাজা : জীবন ও সাধনা
</description>
<pubDate>Thu, 01 May 2014 00:00:00 GMT</pubDate>
<guid isPermaLink="false">http://ir.library.sust.edu:8080/xmlui/handle/sust/226</guid>
<dc:date>2014-05-01T00:00:00Z</dc:date>
</item>
<item>
<title>বিশ শতকের বাংলাদেশের তিনজন মুসলমান নারীর আত্মজৈবনিক গদ্য : মনন ও ভাষা  [সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯), জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪) ও নূরজাহান বোস (১৯৩৮)]</title>
<link>http://ir.library.sust.edu:8080/xmlui/handle/sust/222</link>
<description>বিশ শতকের বাংলাদেশের তিনজন মুসলমান নারীর আত্মজৈবনিক গদ্য : মনন ও ভাষা  [সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯), জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪) ও নূরজাহান বোস (১৯৩৮)]
মনিরা, সিরাজুম
নবজাগরণের প্রেক্ষাপটে উনিশ শতকের বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ উপনিবেশ, বুর্জোয়াজি অর্থনীতি এবং ইউরোপীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের সংস্পর্শে সামাজিক সংস্কারের একটি ক্রান্তিকাল চিহ্নিত হয়েছে। এই গবেষণাপত্রে বিশ্লেষণ করা হয়েছে কিভাবে শিক্ষায়, সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে এবং অর্থনীতিতে নবজাগরণ ভারতীয় সমাজের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এনেছে। সমাজ সংস্কারে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, ডি রাজিও প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। নারীমুক্তি ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁদের উদ্যোগগুলো যেমন সতীদাহ, বহুবিবাহ, বিধবাবিবাহ, বাল্যবিবাহ রোধ এবং নারীশিক্ষার প্রসারে অবদান রেখেছে। বিশেষ করে, নবাব ফয়জুন্নসা, যিনি পূর্ববঙ্গের মুসলিম নারীদের শিক্ষা বিস্তারে প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন, তাঁর মাধ্যমে মুসলিম নারীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন হয়। এই গবেষণায় তিনজন মুসলমান নারীদের আত্মজৈবনিক গদ্যের ভাষা ও মননের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যা তাঁদের জীবনের সংগ্রাম, সামাজিক প্রতিক্রিয়া এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রতিফলিত হয়েছে। গবেষণা শেষে প্রকাশিত হয়েছে, এগুলো তাঁদের চিন্তা ও ভাষা-সংস্কৃতির গভীরতা, সরলতা ও যুক্তিবাদকে তুলে ধরে।
সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯), জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪) ও নূরজাহান বোস (১৯৩৮)
</description>
<pubDate>Tue, 01 Nov 2022 00:00:00 GMT</pubDate>
<guid isPermaLink="false">http://ir.library.sust.edu:8080/xmlui/handle/sust/222</guid>
<dc:date>2022-11-01T00:00:00Z</dc:date>
</item>
</channel>
</rss>
